নতুন অনুভূতি নতুন চিন্তা

রচনা- টুকু মজনিউল




১।     আউটডোর- একটা বাসার ছাদ। দিন

শাহানাএবং তার বান্ধবী রানু, টুংলি এবং অন্য দু’একজন বান্ধবী একটি নাটকের মহড়া দিচ্ছে। নাটকের চরিত্রের প্রয়োজনে শাহানাদের একজন বান্ধবী এলিয়েনের পোশাক পড়েছে। এলিয়েনের পোশাক পড়া বান্ধবীটি মিউজিকের তালে তালে নাচছে। শাহানার বিড়াল মিনিও আছে। মিনি এলিয়েনের সাথে সাথে নাচছে। একসময় নাচ থেমে যায়। মিনি হাঁফাতে হাঁফাতে শাহানার কোলের উপর এসে বসে।

শাহানা

এলিয়নের নাচটা খুব সুন্দর।

 

রানু এলিয়েনের মুখোশের দিকে তাকিয়ে হাসে।

রানু

ও তাই!

শাহানা

হ্যাঁ। পি পি পি পি পিপ। চল তোকে পরের দৃশ্যটা বুঝিয়ে দেই।

টুংলি

পরের দৃশ্যে তো শিউলীকে দরকার।

শাহানা

এ্যা, শিউলি . . শিউলি কোথায় রানু? ওকে তো দেখছি না।

 ঠিক তখনি মুকুল তড়িঘড়ি করে আসে এবং জোরে জোরে শ্বাস নিতে নিতে কথা বলতে শুরু করে।

মুকুল

রানু. . .  রানু. . .  মতলব ঘটক এখনি তোমাদের বাড়িতে গেল তোমার বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে! তাড়াতাড়ি বাড়িতে চল. .

 সংবদাটা শুনে ঘরটা কিছুক্ষণের জন্য নিশ্চুপ হয়ে যায়। এ ওর দিকে তাকায়। কিন্তু কেউ কোন কথা বলে না। রানুর চোখে অসহায়ত্ব ফুটে ওঠে। শাহানারানুর কাঁধে হাত রাখে।

রানু

আমার বিয়ে!

শাহানা

মন খারাপ করিস না রানু।

রানু

আমি আশা করি আমার মা-বাবা মতলব ঘটকের কথা শুনবে না . . . . . . . . . .

শাহানা

আমরাও তাই আশা করি রানু। যা, তুই মুকুলের সাথে বাড়ি যা। আমি শিউলির খোঁজ নিয়ে আসছি. . . 

 রানু মুকুলের সাথে চলে যায়। শাহানা ও তার অন্য বান্ধবীদের চোখে মুখে চিন্তা।

 

২।        আউটডোর- শিউলিদের বাড়ি। দিন 

 শিউলিদের বাড়িতে শাহানা আসে। দরজায় নক করে। শিউলির বাবা দরজা খোলে।

শিউলির বাবা

ও শাহানা!

শাহানা

আস্সালামুআলাইকুম চাচা। শিউলি কোথায়? ও তো আজকে রিহার্সেলে যায় নি।

শিউলির বাবা

শিউলি আমাকে কিছুই বলছে না। দেখো তো মা, তুমি কথা বলে কিছু জানতে পারো কি না।

শাহানা

ঠিক আছে চাচা, আমি দেখছি।

শাহানা ভিতরে ঢুকে যায়।

 

 ৩।       ইনডোর- শিউলির ঘর। দিন  

 ১২/১৩ বছর বয়সের শিউলি তার ঘরের বিছানার এক কোনে হাটু গেড়ে বসে আছে। ঘরের বাতি নেভানো। তবে জানালা দিয়ে বিকেলের আলো কিছুটা ঘরে ঢুকেছে। সেই আলোয় শিউলির মুখটা খুব ভারাক্রান্ত দেখাচ্ছে। শাহানা, শাহানার বিড়াল মিনি ও শিউলির বাবা দরজা ঠেলে ভিতরে ঢোকে। শিউলির কাছে যায়। তার পিঠে হাত রাখে। শিউলি শাহানার দিকে ঘুরে তাকায়।

শাহানা

শিউলি. . শিউলি! কি হয়েছে তোমার?

শিউলি কথা বলে না। মাথা নিচু করে থাকে। শাহানাগিয়ে বিছানার এক কোনায় শিউলির মুখোমুখি বসে। সে খুবই চিন্তিত।

শাহানা

কি হয়েছে শিউলি? তুমি রিহার্সেলে যাওনি কেন? বল শিউলি।

 শিউলি ছলছল চোখে শাহানার দিকে তাকায়। শিউলি এবার কথা বলা শুরু করে।

শিউলি

মুনা আর সাঈদার সাথে আমি সকাল বেলা খেলছিলাম  . . . . . . . . . .

 ক্যামেরা তার মাথার উপর প্যান করবে এবং তার গল্পটা এ্যনিমেশনে দেখানো হবে।

                       

৪।        ইনডোর- শিউলিদের বাড়ি। দিন/      ফ্লাসব্যাক

আমরা দেখতে পাবো শিউলি ও তার বান্ধবী মুনা কুতকুত খেলছে এবং খুব মজা করছে। খেলতে খেলতে হঠাৎ মুনা শিউলির পিছন দিকের ছালোয়ারে একটুখানি রক্ত দেখতে পায়। সাথে সাথে সে শিউলিকে সেটা দেখায়। শিউলি রক্ত দেখে ভয় পেয়ে যায়। মুনার চোখেও ভয় পায়। ক্যামেরা স্যালোয়ারের রক্ত দেখাবে।

 

৫।        ইনডোর- শিউলির ঘর। দিন/ বর্তমান 

বর্তমানে ফিরে এসে শিউলি চোখ বড় করে শাহানার দিকে তাকায়।

শিউলি

আমার কি হয়েছে শাহানাআপু?

শাহানাশিউলির দিকে তাকিয়ে হঠাৎ জোরে হেসে উঠে। শিউলি মর্মাহত হয় এবং বিব্রতবোধ করে। সে কিছু বুঝতে পারে না। শাহানাতাকে জড়িয়ে ধরে হাসতে হাসতে কথা বলে। 

শাহানা

না শিউলি, তোমার কিচ্ছু হয়নি।

 শিউলি খুব দ্বিধান্বিত হয়ে যায়। তার মুখ থেকে ভয় দূর হয় না।

শিউলি

তুমি হাসছো কেন আপু?

শাহানা

এটা নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এই বয়সে সব মেয়েরই এরকম হয়। প্রতিমাসে এটা হবে। একে মাসিক বা ঋতুস্রাব বলে। 

শিউলি

সব মেয়েরই?

শাহানা

হ্যাঁ। মেয়েরা যখন বড় হতে শুরু করে তখন তার কৌশোর কালীন নানারকম পরিবর্তন হয়। তার মধ্যে এটাও একটা। মেয়েদের ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সের মধ্যে যে কোন সময় মাসিক শুরু হয়।

শিউলি

তাই! ঋতুশ্রাব বা মাসিক কেন হয়?

শাহানা

ঋতুশ্রাব বা মাসিক হলে মেয়েরা প্রজননক্ষম হয়। এটা কোন অসুখ নয়।

শিউলি

অসুখ নয়! কি বলছো আপু?

শাহানা

হ্যাঁ, ঋতুশ্রাব বা মাসিক একটা মেয়ের জন্যে খুব স্বাভাবিক। এই সময় নিজেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হয়।

 শিউলি শাহানার কথা শুনে অবাক হয়। কিছুটা ভয়ও পায়।

শিউলি

আমাকে তাহলে কিভাবে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে আপু!

শাহানা

মাসিকের সময় সেনিটারী প্যাড বা শুকনা কাপড় ব্যবহার করতে হবে। দিনে তিন-চারবার বদলাতে হবে, কোন ভিজা বা স্যাঁতস্যাঁতে কাপড় ব্যবহার করা যাবে না, বুঝেছো?

শিউলি

হ্যাঁ আপু, এখন বুঝলাম। আমি যা ভয় পেয়েছিলাম. . . 

শাহানা

আর একটা কথা শোন, এই বয়সে এসে সব মেয়েকেই প্রজনন প্রক্রিয়া সম্পর্কে ও নিজের শরীর সম্পর্কে ভালভাবে জানতে হবে এবং সতর্ক ও নিরাপদ থাকতে হবে।

শিউলি

ও. . . . !

শাহানা

শোন, কৈশোর কালীন নানা রকম পরিবর্তন বিষয়ে ভালোভাবে জানার জন্যে আমরা সবাই মিলে আগামীকাল ময়না খালার কাছে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাব। ঠিক আছে?

 শিউলি মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলে।

 

৬।       ইনডোর- রানুর বাড়ি। দিন

রানুর বাড়ি। সূর্যটা ডুবুডুবু করছে। রানু বারান্দায় চোখ বন্ধ করে বসে আছে। কিছু একটা ভনভন করে তার সামনে, রানু চোখ না খুলে হাত নেড়ে সেটা তাড়ানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ভনভন শব্দ থামে না। এবার রানু চোখ খুলে দেখতে পায় তার সামনে ভিন গ্রহের একটা ছোট্ট যানবাহন। সেই যানবাহন থেকে একে একে তিনটি ছোট ছোট এলিয়ান বের হয়ে আসে। তাদের মহড়ায় যেমন এলিয়ান আছে ঠিক সেই রকম।

 এলিয়ান-১

পি পি পি.... আমাদের মহাযানটাকে আঘাত করা তোমার কি উচিৎ হয়েছে?

 রানু তার চোখকে বিশ্বাস করতে পারছে না। সে নিচু হয় তাদেরকে ভাল করে দেখে।

রানু

তোমরা এখানে!

এলিয়ান- ২

আমরা তোমাদের বাড়ির উপর দিয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ কান্না শুনতে পেয়ে নিচে নেমে এলাম। আচ্ছা, তোমার কি হয়েছে?

রানু

আমার মা-বাবা আমাকে বিয়ে দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

এলিয়ান- ৩

বিয়ে! বিয়ে দেওয়া কি ভাল না?

রানু

না। বিয়ে হলে আমার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আমি পড়াশোনা করতে চাই, জীবনে বড় হতে চাই।

এলিয়েন-১

ও. . . 

রানু

জানো, আমি যখন এইটে পড়ি তখন আমার একটা বন্ধুর বিয়ে হয়েছিলো। বাচ্চা হওয়ার সময় আমার বন্ধু আর তার বাচ্চার অনেক সমস্যা হয়েছে । ওরা এখনও অসুস্থ। তাই আমি আঠারো বছর বয়সের আগে বিয়ে করতে ভয় পাচ্ছি!

এলিয়ান- ২

তুমি কি এই কথাটা তোমার মা-বাবাকে বলোনি?

রানু

বলেছি, কিন্ত মা-বাবা আমার কথা শুনছে না। ইস্ আমি এখন কী করবো?

এলিয়েন- ১

কিন্তু এই বয়সে বিয়ে হলে তোমার বন্ধুর মত তুমিও অসুস্থ হতে পারো, সেটা নিয়ে তোমার মা-বাবার ভয় হয় না? পি পি পি পি....

রানু

না।

 তখনই শাহানার কন্ঠস্বর শোনা যায়।

শাহানা

এই রানু. . . রানু. . .

শাহানার কথা শুনে চমকে ওঠে রানু। চোখ খোলে। দেখে সামনে দাঁড়ানো শাহানা। সে খুব অপ্রস্তুত হয়ে যায়। এদিক ওদিকে দেখে সে।

রানু

তারা কোথায় গেল?

শাহানা

তারা কে!

রানু

এলিয়ানরা...................

শাহানা

এলিয়ান! আমাদের নাটকের এলিয়েন কোত্থেকে এলো?

রানু

ওহ্ . . . আমি মনে হয় এতক্ষণ এলিয়েনদের কল্পনা করছিলাম।

 

শাহানা খলখল করে হেসে ওঠে। 

শাহানা

রানু..হা হা হা..

 

৭।        ইনডোর- স্বাস্থ্যকেন্দ্র। দিন

স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভেতরে ময়না খালার রুম। টেবিলে একটা কম্পিউটারে একটা তালিকা দেখা যায়। ময়না কম্পিউটারের সামনে চেয়ারে বসে আছে। তাদের চারদিকে মেয়েরা দাঁড়িয়ে আছে। শিউলিও তাদের সাথে আছে। ময়না খালা মাঝে মাঝে কম্পিউটার দেখে কথা বলবে।

ময়না খালা

শোন শিউলি. . . মেয়েদের ৯ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে শরীরে পরিবর্তন হতে শুরু করে।

এ্যানিমেশনে আমরা দেখতে পাবো- একটি মেয়ে পরিবর্তিত হয়ে পূর্ণবয়স্ক হয়ে উঠছে। তার উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, মুখাবয়বে কিছুটা বয়সের ছাপ পড়ছে এবং শরীরে পূর্ণবয়স্ক মেয়েদের মত পোশাকে আচ্ছাদিত।

ময়না খালা

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন যেটা হয় সেটা হলো, মেয়েরা এই পরিবর্তনগুলোর মাধ্যমে তার শরীরে বাচ্চা ধারন করবার ক্ষমতা অর্জণ করে।

শিউলি

আচ্ছা, এরকম কি শুধু মেয়েদেরই হয়?

ময়না খালা

না। ছেলেদেরও এই বয়সে পরিবর্তন হয়। তাদের কন্ঠস্বর ভারী হয়। মুখে দাঁড়ি মোচ গজায়। আর একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে ছেলেদের, সেটা হলো স্বপ্নদোষ। স্বপ্নদোষ হলে ছেলেরাও কারনে লজ্জা পায়। কাউকে কিছু বলতে পারে না। কিন্তু এটাও খুব স্বাভাবিক। প্রত্যেক ছেলেরই কৈশোর কালীন নানা রকম পরিবর্তন হয়। এই বয়সে ছেলে এবং মেয়ে সবারই শারীরিক পরিবর্তন হয় সেই সাথে মনের মধ্যেও পরিবর্তন আসে।

মেয়েরা অবাক হয়ে ময়না খালার দিকে তাকিয়ে থাকে।

 

৮।       ইনডোর- একটা বাড়ির ছাদ। দিন

এখন মেয়েদের মধ্যে তিনজনের গায়ে এলিয়েনের পোশাক। ক্যামেরা আরো জুম আউট করা হলে আমরা দেখতে পাই শাহানারা মঞ্চে অভিনয় করছে। মঞ্চের সামনে সারিতে বসে আছে চেয়ারম্যান, শাহানার মা বাবা. রানুর মা-বাবা ও শিউলির বাবাসহ আরও অনেক লোক। দর্শকদের সারির পিছনের দিকে মতলব ঘটক দাঁড়িয়ে নাটক দেখে। সে নাটক দেখতে দেখতে মুভ ভেংচায়।

একজন শিশু দর্শক

ওই দেখ দেখ, মনে হয় এলিয়েন আসবে।

এলিয়েন শাহানা        

তারমানে সবচেয়ে জরুরী কথা হলো, বয়সন্ধিকালে ছেলে ও মেয়েদের শরীর ও মনে নানারকম পরিবর্তন হতে থাকে।

এলিয়েন হাসি

বাবা-মায়েদের উচিত ছেলেমেদের এসব বিষয়ে সচেতন করা এবং কিভাবে এই সময় নিজেদের যত্ন নিতে হয়, তা শিক্ষা দেয়া। 

এলিয়েন শাহানা        

আর আঠারো আগে বিয়ে নয় আর ২০ এর আগে গর্ভধারণ নয়।

এলিয়েন রানু

পৃথিবীর বাবা-মায়েরা কি এগুলো জানে?

ক্যামেরা জুম আউট করে দেখানো হবে দর্শকরা খুব চিন্তিত।

এলিয়েন শাহানা        

এগুলো সব বাবা-মায়েরই জানা উচিত।

দর্শকেরা হাত তালি দিলে শাহানার মার মুখ উজ্জল হয়ে ওঠে। চেয়ারম্যান ও সব দর্শক হাত তালি দিতে দিতে দাঁড়িয়ে যায়। কলা-কুশলীরা অভিবাদন জানায়।

 

৯।        ইনডোর- রানুর বাড়ি। দিন

নাটক শেষ হবার পর মেয়েরা শাহানাও রানুর বাবা-মা এবং শিউলির বাবার পাশে দাঁড়িয়ে আছে। মতলব ঘটক একটু দূরে আড়ালে দাড়িয়ে সবার কথা শোনে।

চেয়ারম্যান

নাটকটা সত্যিই অসাধারন। আমার মনে হয় তোমাদের এই নাটকটা উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিনয় করা উচিত। আচ্ছা ঠিক আছে, এই আয়োজন আমি তোমাদের করে দেবো।

শাহানারা উল্লসিত হয়ে একে অপরের দিকে তাকায়। মুহুর্তেই শাহানার মন খারাপ হয়ে যায়।

রানুর বাবা

হ্যাঁ হ্যাঁ. . . এইটা খুবই দরকারী নাটক চেয়ারম্যান সাহেব।

শাহানা

কিন্তু রানুর বিয়ে হয়ে গেলে আমরা এই নাটক করবো কিভাবে চাচা?

রানুর বাবা-মা অস্বস্থিবোধ করে।

চেয়ারম্যান

বিয়ে! না না, তোমার মেয়ের তো বিয়ের বয়স হয় নাই রানুর বাবা। ওকে পড়াশোনা করতে দাও. . .

রানুর বাবা

হুম. .  আমি বুঝতে পারছি চেয়ারম্যান সাহেব। আমরা একটা ভুল করতে যাচ্ছিলাম।

চেয়ারম্যান

ভুল করা যাবে না রানুর বাবা। আমাদের এই ছেলেমেয়েরা কৈশরকালীন পরিবর্তন বিষয়ে সবাইকে এত সুন্দরভাবে সচেতন করছে, আর তোমরা?

রানুর বাবা

না না চেয়ারম্যান সাহেব, আমি বুঝতে পারছি । আমার রানুর এখন বিয়ে দিলে, অনেক বিপদ হতে পারে। ওকে আমি এখন বিয়ে দেবো না, লেখাপড়া করাবো।

চেয়ারম্যান

আমরা, এ্ই নাটক দিয়ে এলাকার সব মানুষের চিন্তার পরির্বতন করবো, ঠিক আছে।

সবাই

ঠিক আছে। ঠিক আছে।

চেয়ারম্যান

দেখো, আমাদের এই ছেলেমেয়েরা যদি সুস্থ সুন্দর ভাবে শিক্ষিত হয়ে ওঠে। তাহলেই তো জাতির ভবিষ্যৎ উজ্জল হবে, তাই না?

শাহানারা

হ্যাঁ হ্যঅঁ, তাই। হুররে. . . .

সমাপ্ত

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন