আমরাই রুখবো
মেলার কোলাহল। মেলায় অনেক মানুষ। শাহানা, হাসি এবং টুংলী মেলার নাগর দোলায় উঠেছে। নাগর দোলা দোল খাচ্ছে। শাহানারা নাগর দোলায় বসে দোল খেতে খেতে মজা করছে। মেলার নানারকম দৃশ্য দেখছে ও কথা বলছে। কিন্তু মেলার কোলাহলের কারণে তাদের কথা বোঝা যায় না। নাগর দোলাটা হঠাৎ থেমে যায়। তখন তারা নাগরদোলার নিচের দিকে।
হাসি
থামলো কেন?
শাহানা
ধৈর্য্য ধর. . . . . . নিশ্চয় কেউ উঠছে অথবা নামছে।
টুংলী
কোন সমস্যা হয় নি তো?
হঠাৎ শাহানারা একজনের হাসি শুনতে পায়। তারা সেদিকে তাকিয়ে দেখে দুইজন ছেলেসহ হাবু মটর সাইকেলের উপর বসে হাসছে।
হাবু
কি
হলো কিশোর কিশোরী ক্লাবের সদস্যরা, তোমরা কি ভয় পেলে? আমরা কি তোমাদের নাগর দোলা থেকে
নামতে সাহায্য করবো?
বালক ২
আমরা তোমাদের সুন্দর করে হাতে ধরে নামিয়ে দেবো. . .
সে হাতের ইশারায় বোঝায়। হাবু ও অন্য ছেলেটা খলখল করে হেসে ওঠে।
বালক ৩
আমাকে নামিয়ে দাও, বাঁচাও!
ছেলে-৩ ছেলে-২ এর হাতের উপর পড়ে যায় এবং অন্যজন শাহানাদের দিকে ফুল ছুড়ে মারে, ফ্লাইং কিস দেয়। হাবুরা জোরে জোরে হাসতে থাকে। শাহানারা নাগর দোলা থেকে নামে এবং কিছু বলতে হাবুর দিকে এগিয়ে যায়। টুংলী শাহানার হাত টেনে ধরে। তার চোখে মুখে কিছুটা ভয়।
টুংলী
থাক শাহানা, বাদ দে . .
শাহানা
কিন্তু ওরা আমাদের এভাবে অসম্মান করবে কেন? দেশে কি আইন কানুন
নেই?
২। আউটডোর-
মেলা। দিন
একটি স্টল। বিভিন্ন প্রশাধন সামগ্রী ও ফুলের দোকান। মেয়েরা কিছু কেনার জন্যে দেখছে।
শাহানা
বাহ; দেখ হাসি কি সুন্দর!
তখনই ছেলেগুলো আসে। মেয়েদের দেখে দুষ্টু হাসি হাসে এবং ফুলের পাপড়ি ছুড়ে মারে। শাহানারা বিরক্ত হয়। ‘তোমাকে চাই আমি আরো কাছে’গানটা গাইতে গাইতে হাবুরা শাহানাদের কাছে এগিয়ে আসে।
টুংলী
ওরা খুব খারাপ হয়ে গেছে শাহানা। চল বাড়ি যাই।
শাহানা
ওরা তো আমাদের কোন কিছুই ঠিকমত দেখতে দিচ্ছে না।
হাসি
আজ চল, আমরা না হয় আর এক দিন আসবো।
শাহানা
আমরা চলে গেলে ওরা অন্য মেয়েদেরকে বিরক্ত করবে।
টুংলী
অসহ্য!
৩। আউটডোর- মুকুলদের বাড়ির ছাদ। দিন
মুকুলদের ছাদ। মুকুল শাহানাদের বন্ধু। সে কবুতর পোষে। কিছু কবুতর চারদিকে উড়ছে। শাহানা একটি কবুতর ধরে আছে।
মুকুল
আমি আমার কবুতরগুলোকে বন্ধুদের কাছে টিঠি পাঠানোর জন্য প্রশিক্ষন
দিচ্ছি . . .
শাহানা হাসে।
শাহানা
তাই! মজার তো।
মুকুল
হ্যাঁ. . .
মুকুল মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলে। তার মুখে হাসি। কিন্তু শাহানার মুখের হাসিটা মিলিয়ে যায়। মুকুল লক্ষ্য করে শাহানা চিন্তিত ও অন্য মনস্ক হয়ে গেছে। সে শাহানার সামনে আঙুলের তুড়ি বাজায়।
মুকুল
এই,
এই শাহানা, কি হলো তোর!
মুকুলের ডাকে শাহানা অপ্রস্তুত হয়ে যায়।
শাহানা
ওহ্
..... সরি মুকুল, আমি ভাবছিলাম. . মানে .
. তুই... তুইও তো একটা ছেলে . . .
মুকুল মুচকি হাসে।
মুকুল
এটা
আবার কি ধরণের প্রশ্ন শাহানা?
শাহানা
না
মানে মুকুল, কিছু ছেলেরা মেয়েদের এভাবে উত্ত্যক্ত করে যাবে কেন?
টুংলী
জানিস,
গতকাল হাবু আর হাবুর বন্ধুরা মেলায় আমাদের দিকে বাজে ইঈিত করেছে।
মুকুল খুব অবাক হয়।
মুকুল
সত্যি!
টুংলী
হ্যাঁ,
আমরা খুব কষ্ট পেয়েছি. . .
শাহানা
ছেলেরা
মেয়েদেরকে এভাবে উত্ত্যক্ত করেই যাবে, আর মেয়েরা সেটা সহ্য করে যাবে?
শাহানার চোখ মুখ শক্ত হয়ে যায়। মুকুল মাথা নেড়ে না বলে।
মুকুল
না
তা হবে কেন? মেয়েদের উত্ত্যক্ত করা অপরাধ? এ অপরাধে শাস্তি দেওয়ার জন্যে দেশে আইনও
আছে। আমরা অবশ্যই আমাদের কিশোর কিশোরী ক্লাব থেকে এর প্রতিবাদ করবো। উম্, একটু দাঁড়া
আমি আসছি. . .
মুকুল দ্রুত চলে যায়। শাহানা তার হাতে থাকা কবুতর নিয়ে উড়িয়ে দেয়। কবুতরগুলো উড়ে এসে আবারও শাহানার কাছে বসে। শাহানা কবুতরের দিকে তাকিয়ে থাকে। মুকুল একটা লিফলেট নিয়ে আসে।
মুকুল
কয়েকদিন আগে বাবা এই লিফলেটটা নিয়ে এসেছে।
শাহানা লিফলেটটা পড়ে।
শাহানা
১.
অশালীন ভঙ্গি। ২. যৌন আবেদনমূলক মন্তব্য ও ভাষা ব্যবহারের মাধ্যমে উত্তক্ত করা। ৩.
ইঙ্গিতপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করে ঠাট্টা ও উপহাস করা। ৪. উত্তক্ত করার উদ্যেশে কাউকে অনুসরণ
করা ও পিছন পিছন যাওয়া। ৫. চিঠি, টেলিফোন, মোবাইল, এসএমএস, ছবি ইত্যাদির মাধ্যমে অপমানজনক
কিছু করা। ৬. পর্ণগ্রাফি দেখানো এগলো
যৌন হায়রানিমূলক আচরণ। এগুলো শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তারমানে এই অপরাধে পুলিশ হাবুদেরকে
গ্রেফতার করতে পারে?
মুকুল
হ্যাঁ তা পারে।
শাহানা
হুম. . .
শাহানা চিন্তিত।
৪। আউটডোর- মুকুলদের বাড়ির ছাদ। দিন
হাবুরা তিন বন্ধু মটর সাইকেল নিয়ে এসে শাহানা, টুংলী এবং হাসির পথ আটকে দাঁড়ায়। হাসে। শাহানারা তখন কলেজ থেকে ফিরছিল।
হাবু
কি মিষ্টি পাখি. . .
হাবু হাসির দিকে একটা চিরকুট ছুঁড়ে দিয়ে ‘টা টা’ বলে আবার মটর সাইকেল চালিয়ে চলে যায়। শাহানাদের সবার চোখে মুখেই রাগ।
হাসি
আর সহ্য করা যায় না। হাবু এর আগেও আমাকে এসএমএস পাঠিয়ে বিরক্ত
করেছে।
টুংলী
কিন্তু আমাদের কাছে তো, তুই এর আগে বলিস নি হাসি।
হাসি
বলিনি লজ্জায়। তোরা যদি আমাকে ভুল বুঝিস।
শাহানা চিন্তিত। সে পাশের দোকানের ছাদের কবুতরগুলোকে দেখে কিছু একটা ভাবে।
টুংলী
আমার
মনে হয় ব্যাপারটা আমাদের থানায় জানানো উচিত। আর শোন, লজ্জা পেলে হবে না হাসি।
শাহানা একটা চিন্তা করে।
শাহানা
হুম,
থানায় জানাবো, কিন্তু তার আগে চেয়ারম্যান চাচাকে জানাতে হবে।
শাহানা কথা বলতে বলতেই কবুতর দেখতে পায়। মুচকি হাসি হেসে কথা বলে।
শাহানা
আর
তারও আগে আমাদেরও হাবুকে একটা প্রেমপত্র পাঠাতে হবে।
টুংলী ও হাসি
কী!!
পরদিন সকালে শাহানা, হাসি এবং মুকুল। মুকুলদের চিলেকোঠায় তারা তিনটি কবুতরের পায়ে তিনটি চিরকুট বাঁধে।
হাসি
হাবু
যখন এই প্রেমপত্রগুলো পাবে এবং পড়বে, তখন হাবুর মুখটা কেমন হয় সেটা খুব দেখতে আমার
ইচ্ছে করছে শাহানা।
সবাই হাসে। মুকুল কবুতরটা ছেড়ে দেয়। ক্যামেরা প্যান করে কবুতরকে দেখায়।
৬। আউটডোর- হাবুর বাড়ির উঠোন। দিন
হাবু তার উঠোনে মটর সাইকেল পরিস্কার করছে ও গুন গুন করে গান গাইছে।
হাবু
তোমাকে
চাই আমি আরো কাছে তোমাকে বলার আরো কথা আছে. . . .
তখনই একটা কবুতর হাবুর মটর সাইকেলের উপর এসে নামে। বাকবাকুম ডেকে ওঠে। হাবু খুব অবাক হয়।
হাবু
বাহ্!
কি সুন্দর. . .
হাবু দেখতে পায় কবুতরের পায়ে একটা চিরকুট।
হাবু
এটা কি? মনে হয় হাসি পাঠিয়েছে!
সে সর্তকভাবে কবুতরের পায়ে থাকা চিরকুটটি নেয়। কবুতর উড়ে যায়। হাবুর মুখে হাসি ফুটে ওঠে মুখে। সে চিরকুটটা খোলে এবং পড়ে।
হাবু
উত্তক্ত করার উদ্যেশ্যে কাউকে অনুসরণ, যৌন উত্তেজক ভাষা ব্যবহার, চিঠি ও এসএমএস ইত্যাদি দেওয়া যৌন হায়রানিমূলক আচরণ। এগুলো শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
সে চিরকুটটা ছুঁড়ে ফেলে দেয়।
৭। আউটডোর-
চেয়ারম্যানের বাড়ি। দিন
চেয়ারম্যান সাহেবের বাড়ির উঠোন।গ্রামের লোকজন, চেয়ারম্যান সাহেব ও শাহানার বন্ধুরা আছে। আরও আছে হাবুর বোন রুবি ও হাবুর মা।
রুবির মা
চেয়ারম্যান সাহেব, রুবির স্বামী ওকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। আমার রুবি নাকি সংসারের কোন কাজ করতে পারে না। আর ওর স্বামী শুধু বলে বাপের বাড়ী থেকে টাকা নিয়ে আয়। আমি এখন কি করবো চেয়ারম্যান সাহেব?
চেয়ারম্যান রুবির মায়ের কথা শুনে বিরক্ত হয়। সে সব শুনে দীর্ঘশ্বাস ফেলে।
চেয়ারম্যান
শোন রুবির মা, আমাদের কাউকে না জানিয়ে তোমরা রুবিকে ১৫ বছর বয়সে বিয়ে দিয়েছিলে। কাজটা একদম ঠিক করো নাই. . . এত অল্প বয়সের একটা মেয়ে স্বামী-সংসার ঠিকমত দেখাশোনা করতে পারে? তার উপর যৌতুকের জন্য নির্যাতন? খুব খারাপ. . . যাই হোক, আমি রুবির স্বামী ও শ্বশুর শ্বাশুড়ির সাথে কথা বলবো। কিন্তু আমার মনে হয় তোমরা থানাতেও জানায়ে রাখো। জানতো যৌতুক ও নারী নির্যাতন দুটোই শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
শাহানা, টুংলী ও হাসি মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলে।
রুবির মা
চেয়ারম্যান সাহেব. . .
রুবির মা রুবিকে নিয়ে চলে যায়।
চেয়ার্যমান
হ্যাঁ বলো শাহানা, ছেলেগুলোর নাম বলো. . .
শাহানা দেখে যে হাবুর মা ও বোন রুবি কতদূর গিয়েছে।
শাহানা
হাবু
আর হাবুর কয়েকজন বন্ধু আছে চাচা। ওরা সব সময় রাস্তাঘাটে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে.
চেয়ারম্যান
হুম
বুঝতে পেরেছি. . . হাবু! মানে এই তো হাবুর মা আর বোন গেলো. . . নিজের বোনকে স্বামী অত্যাচার করে তাড়িয়ে দিয়েছে
তাতেও এরা বোঝে না? আচ্ছা ঠিক আছে তোমরা যাও, আমি বিষয়টা দেখবো।
৮। আউটডোর-
রাস্তা। দিন
শাহানা, হাসি ও টুংলি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছে। তাদের আগে আগে হাবুর বোন ও মা যাচ্ছে। তারা কিছুদূর গিয়ে অন্যপথে ঢুকে যায়। শাহানারা মূল রাস্তা দিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে। হাবু এবং তার বন্ধুরা তখন তাদের পথ আটকে দাঁড়ায়।
হাবু
আমারে কবুতর দিয়ে ভয় দেখাও. . . পুলিশের ভয় দেখাও. . .
হাবু খলকল করে হাসে।
বালক-১
আবার চেয়ারম্যান সাহেবের কাছেও নাকি আমাদের নামে নালিশ করছো!
বালক- ২ খুব খারাপ ইঙ্গিত করে হাসে।
বালক-২
আজ আমরা খবর আছে। আমাদের নামে নালিশ করো।
শাহানারা ছেলেটার কথা শুনে ভয় পায়। পরস্পরের দিকে তাকায়। এবং সাথে সাথে শাহানারা পিছু হাঁটতে শুরু করে। হাবুরাও তাদের পিছু নেয়। দেখা যায় শাহানারা হাঁটছে সামনে সামনে এবং হাবুরা তাদের পিছু পিছু হাঁটছে। শাহানা, টুংলী, হাসির মুখে ভয়।
হাসি
চল
শাহানা আমরা যাই।
হাবু
যাইবা ক্যান, একটু দাড়াও।কী মিষ্টি পাখি! আমারে তোমার পছন্দ হয় না?
হাবুর মা ও বোন হাবুর গলা শুনতে পেয়ে থমকে দাঁড়ায়।
হাবুর মা
এইডা
হাবুর গলা না!
শাহানা
খবরদার!!
ওর গায়ে হাত দিও না।
হাবুর মা
ও
এই সব কি করতাসে!!!
হাবু
কেন,
কি করবে তোমরা?
হাবুর মা
ও
এই সব কইরা বেড়ায়!
শাহানা
তুমি
জান না মেয়েদের উক্তত্য করা অপরাধ।
হাবু
অপরাধ,,,হা
হা হা...
শাহানা
এ
ধরনের অপরাধে পুলিশ তোমাদেরকে গ্রেফতার করতে পারে।
হাবু
পুলিশ,
গ্রেফতার, হাবু এ সব ভয় পায় না।
হাবুর মা ততক্ষণে হাবুদের কাছাকাছি চলে আসে। হাবু তার মাকে দেখতে পায় না। মায়ের কথা শুনতেও পায় না।
হাবুর মা
দাড়াঁ!
হাবুর মা পিছন থেকে এসে হাবুর কান টেনে ধরে।
হাবু
এই,কে
রে, এ্যাঁ মা,!!!
হাবুর মা
পাজি
ছেলে তুই, এইসব কইরা বেড়াস! মাইয়াগোরে উক্তত্য করিস।
হাবুর মা
এই
যে তোমরা যাবা না, দাড়াও এইখানে।
হাবুর মা
তোরও
তো ঘরে বোন আছে, তোর বোনের লগে কেউ এররম করলে তোর কেমন লাগবো?
হাবু
না
মা না, আমার ভুল হইয়া গেছে।
হাবুর মা
আবার
এরকম করলে, তরে আমি পুলিশের হাতে তুইলা দিমু!
শাহানা
ঠিক
হয়েছে. . . . .
৯। আউটডোর-
মেলা। দিন
মেলার হই-চই আবার শোনা যায়। মেয়েরা আবার মেলার ভেতর হাঁটছে।
টুংলী
দেখ দেখ বানরের খেলা. . .
সবাই হাসে এবং সামনের দিকে এগিয়ে যায়।
শাহানা
হাসি
শুনেছিস, চেয়ারম্যান চাচা ও পুলিশ গতকাল রুবির স্বামী ও শ্বাশুড়িকে ডেকে সতর্ক করে
দিয়েছে। বলেছে এরপর যদি রুবিকে তারা নির্যাতন করে তাহলে তাদের পুলিশ গ্রেফতার করবে।
হাসি
তাই!!
শাহানা
হ্যাঁ।
চরকিওয়ালা
আপা
ও আপা আসেন আসেন. . . . . .
মেয়েরা আজ আবার নাগর দোলায় উঠার জন্যে দাঁড়িয়েছে। হাবু ও তার দুই বন্ধু আগে থেকেই সেখানে দাঁড়িয়ে আছে। মেয়েরা সতর্কভাবে তাদের দিকে তাকায়। হাবু বিব্রতকর ভাবে তাদের দিকে তাকিয়ে হাসে এবং কিছুটা দূরে সরে যায়।
টুংলী
এই
দ্যাখ, আবার হাবু!!
হাবু
এই
এই, মেয়েদেরকে আগে উঠতে দাও। আমরা পরে উঠবো।
হাবুরা পিছনে সরে মেয়েদেরকে উঠতে দেয়। নাগর দোলা ঘুরছে। শাহানারা আবার নাগর দোলার মাথায় উঠে যায়। তাদের মুখে হাসি।
টুংলী
দেখেছিস, হাবুরা অনেক বদলে গেছে।
ক্যামেরা প্যান করে নিচে দেখায়। হাবুরা
চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে যদিও তাদের খুব কাছে শাহানারা হাসছে ও কথা বলছে। শাহানার মুখে হঠাৎ
হাসি ফুটে ওঠে।
শাহানা
এভাবেই
বদলাবে আর তারা বুঝবে নির্যাতন ও হয়রানি মুক্ত হয়ে মেয়েদের বাঁচার অধিকার আছে। নারী
নির্যাতন করলে শাস্তি পেতে হবে, এই কথাটা সবারই জানা থাকা দরকার।
হাসি ও টুংলী
হুম.
. . আমাদের কিশোর কিশোরী ক্লাব নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধেও সফল. . .
সবাই
হুররে..

إرسال تعليق